টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১২ মে ২০২১

নেট মিটারিং রুফটপ সোলার প্রোগ্রাম

আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি ও জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। রুপকল্প ২০২১ অনুযায়ী দেশের সকল নাগরিককে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনতে সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ। সার্বজনীন বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের অভিপ্রায়ে জ্বালানি বহুমুখীকরণকে বিদ্যুৎ বিভাগ অন্যতম কৌশল হিসেবে গ্রহণ করেছে। জ্বালানি বহুমুখীকরণের আওতায় প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানির পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে পরিবেশ বান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বৃদ্ধি জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিসি-৭) অন্যতম অভীষ্ট লক্ষ্য। বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালায় ২০২০ সাল নাগাদ মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ১০% অর্থাৎ মোট প্রায় ২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস হতে উৎপাদনের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।

 

নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রধান উৎসমূহ হচ্ছে- সৌর শক্তি, হাইড্রো, বায়োগ্যাস, বায়োমাস, জিয়োথারমাল, ওয়েভ এবং টাইডাল এনার্জি। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সবচেয়ে সম্ভাবনাময় উৎস হচ্ছে সৌর শক্তি। সৌর শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এ যাবৎ প্রায় ৩২৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে যার সিংহভাগই এসেছে প্রত্যন্ত অঞ্চলে অফগ্রিড এলাকায় স্ট্যান্ড এলোন হিসাবে স্থাপিত সোলার হোম সিম্টেম হতে। ইতোমধ্যে সোলার হোম সিস্টেমের প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন অতিক্রম করেছে। কিন্তু প্রতি মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তিন একরের অধিক ভূমির প্রয়োজন হওয়ায় বৃহৎ আকারের সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য ভূমির সংস্থান দুরূহ। এ কারণে গ্রিডে সংযুক্ত বিভিন্ন স্থাপনা যেমন বাসা-বাড়ি, শিল্প কারখানার অব্যবহৃত ছাদে সোলার সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে। ছাদে সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন করা হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অবদান বৃদ্ধি পাবে। সোলার সিস্টেম স্থাপনের জন্য অনগ্রিড বিদ্যুৎ গ্রাহককে প্রণোদনা দেয়ার ব্যবস্থা করা হলে তা নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকে উৎসাহিত করবে।

 

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড জেনারেশনকে উৎসাহিতকরণের লক্ষ্যে নেট মিটারিং ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নেট মিটারিং পদ্ধতিতেবিদ্যুৎ গ্রাহক নিজ স্থাপনায় স্থাপিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভিত্তিক সিস্টেমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ নিজে ব্যবহার করে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বিতরণ গ্রিডে সরবরাহ করেন। এভাবে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল পরবর্তী মাসের সাথে সমন্বয় করা হয়। এ প্রক্রিয়ার ফলে গ্রাহকের বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় হয়। এ পর্যন্ত প্রতিবেশী ভারত, শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের পঞ্চাশটিরও অধিক দেশে নেট মিটারিং পদ্ধতি চালু রয়েছে। ইতোমধ্যে বগুড়া জেলায় খাদ্য অধিদপ্তরের একটি ভবনের ছাদে স্থাপিত সোলার সিস্টেমকে বিতরণ গ্রিডের সাথে সংযুক্ত করে নেট মিটারিং প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ আমদানি-রপ্তানি করা হচ্ছে। এতে বিদ্যুৎ খরচের সাশ্রয় হয় বলে এ বিষয়ে বিদ্যুৎ গ্রাহকগণ উৎসাহিত হতে পারেন। বর্ণিত পরিস্থিতিতে, অনগ্রিড এলাকায় বিদ্যুৎ গ্রাহকগণকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে নেট মিটারিং সুবিধা প্রদানের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ নেট মিটারিং পদ্ধতি বাস্তবায়ন নির্দেশিকা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

 

নির্দেশিকাটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হচ্ছে। বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যতে নির্দেশিকাটি প্রয়োজন অনুসারে সংশোধন এবং পরিমার্জন করা হবে।

 

"Frequently Asked Questions (FAQ) on Net Metered Rooftop Solar"

 

নেট মিটারিং প্রোগ্রাম সংক্রান্ত তথ্য ও ডকুমেন্ট সমূহ:

  1. নেট মিটারিং গাইডলাইন- ২০১৮ এর ১ম সংশোধিত কপি

  2. নেট মিটারিং প্রোগ্রামের জন্য সৌর যন্ত্রাংশের মানমাত্রার তালিকা

  3. অনুমোদিত এবং তালিকাভুক্ত এক্রিডিটেটেড ল্যাবরেটরী সমূহ

  4. অনুমোদিত সৌর যন্ত্রাংশ - সোলার মডিউল

  5. অনুমোদিত সৌর যন্ত্রাংশ - গ্রিড-টাইড ইনভার্টার

  6. Brochure on Net Metering Rooftop Solar

  7. Explanations on Net Metering Guideline-2018

[ Application for Online NOC of Solar Accessories, Visit: https://solar.sreda.gov.bd ]



Share with :

Facebook Facebook